আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন, হতাশ হবেন না যদি ত্বাকওয়া বান হতেপারেন তাহলে দেখবেন আপনার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে

লিখেছেন লিখেছেন কুয়েত থেকে ৩০ এপ্রিল, ২০১৯, ০৭:১৯:০৩ সন্ধ্যা

তোমা তাদের মতো হয়ে যেও না যারা বিভিন্ন ভাবে বিভক্ত হয়ে গেছে । আল্লাহর দিকে ফিরে আসুন, হতাশ হবেন না যদি ত্বাকওয়া বান হতে

পারেন তাহলে দেখবেন আপনার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আপনি আল্লাহর উপস্থিতি টের পাবে। আল্লাহ আপনাক প্রতিটি পদক্ষেপে সাহায্য করবেন।

আপনি শুধু একবার চেষ্টা করে দেখেন,সাহস করে পা বাড়ান। তিনিই বলছেন কেউ তার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হলে তাঁর সাহায্য তার দিকে এক হাত পরিমাণ আসে, কেউ এক হাত আসলে দুই হাত আসে আর কেউ হেঁটে আসলে আল্লাহর সাহায্য তার দিকে দৌড়ে আসে।

একবার আল্লাহর পথে ফিরে আসুন। তিনি আপনার চোখের শীতলতা এনে দিবেন,অন্তরে সুকুন ঢেলে দিবেন।

দেখেন, আপনি আল্লাহর পথে আসা,দ্বীনের পথে চলা মানে এই নয় যে আপনার জীবনে কোন বিপদ-আপদ থাকবে না।বরং আপনার ঈমান যত শক্ত হবে বিপদ আপদ আপনার দিকে ততই ধেঁয়ে আসবে।

মনে রাখবেন, সবচেয়ে বড় বিপদে এসেছিল নবী রাসূলগনের উপর। তারপর তাঁদের সঙ্গী-সাথীদের এবং তারপর ঈমানের লেভেল যার যত বেশি তাঁদের উপর ক্রমান্বয়ে।একবার আপনি যদি আল্লাহকে পান দুনিয়ার যত বড়ই পরীক্ষা হোক না কেন, সব আপনার কাছে তুচ্ছ সামান্য মনে হবে।

আপনি জানবেন আপনার জন্য একজন আছেন। যিঁনি আপনাক দেখছেন, আপনাক কেয়ার করছেন আর এই বিপদে ও ঠিক তিনি আপনার পাশেই আছেন। আজকে দুনিয়াতে আপনার প্রতিটি পরীক্ষা,প্রতি ফোঁটা অশ্রু, প্রতিটা দীর্ঘশ্বাসের বিনিময়ে তিনি আপনাক আখিরাতে বিনিময় দিবেন। আর তা হচ্ছে অতি উত্তম বিনিময়।

আপনি হয়তো সেই মহাবিচার দিবসে আফসোস করবেন-

ইশ! দুনিয়াতে যদি আরেকটু দুঃখ কষ্ট পেতাম! যদি আরেকটু বেশি পরীক্ষার সম্মুখীন হতাম!

দুনিয়াতে যদি আমার কোন দুয়াই কবুল হতো না। তাহলে তো আজ অনেক বেশি পেতাম!

পরিশেষে, আল্লাহর পথে এসো।

আল্লাহর দিকে দৌড়াও।সময় খুবই স্বল্প।

দ্বীনে এসো, তিনি আপনার চোখের শীতলতা এনে দিবেন। অন্তরে সুকুন ঢেলে দিবেন। বিপদে সবর করার শক্তি দিবেন।

মনে রাখবেন, আল্লাহই আপনাক শক্তির উৎস। তিনিই বিপদ দেন আর তিনিই বিপদ দূর করেন। যত বড় দুঃখ-কষ্ট আর বিপদ-আপদই হোক না কেন আল্লাহর উপর ভরসা হারিয়ো না।

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটেই আসে। আর অন্ধকার কালো মেঘের আড়ালেই তেজস্বী সূর্য্যের অবস্থান অতি অল্প সময়ের জন্যই হয়।

বিষয়: বিবিধ

১৪১৩ বার পঠিত, ২ টি মন্তব্য


 

পাঠকের মন্তব্য:

386629
০৬ মে ২০১৯ রাত ১২:১৭
আমি আল বদর বলছি লিখেছেন : অসম্ভব ভাল লিখেছেন। ভালবাসা ছাড়া আর কিছু দিতে পারলাম না।


ভালবাসা অবিরাম
386632
০৮ মে ২০১৯ রাত ০৩:৪২
কুয়েত থেকে লিখেছেন : যে সব কারনে ধুমপান আজই ছেড়ে দিবেন।

# শারীরিক ক্ষতিঃ

1-ব্লাড ক্যানসার। 2- হার্ট এ্যাটাক।

3- চোখের জ্যোতি ক্ষয়। 4- মুখের ক্যানসার।

5-বুকে কপ জমা/ কাশি হওয়া। 6- জিহ্বার স্বাদ নষ্ট।

7- ঘ্রাণ ক্ষমতা হ্রাস। 8- রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি।

9- যৌন ক্ষমতার হ্রাস।10- হজম শক্তি ক্ষয়।

11- অবসাদ বৃদ্ধি। 12- ফুসফুসের ক্যানসার

13- ডায়াবেটিস এর জটিলতা বৃদ্ধি। 14- রক্ত জমাটবদ্ধতা।

15- মস্তিষ্কের ড্যামেজ।16- মুখে তীব্র দুর্গন্ধেরর সৃষ্টি।

17- দাঁতের সমস্য।18-গর্ভের সন্তানের শারীরিক ত্রুটি।

19-সিগারেটে আগুন ধরালে কমপক্ষে ৭০০০ প্রকার বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ উৎপাদন হয়। এদের মধ্যে ৬৯টি মানবদেহে সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টির সাথে সম্পৃক্ত।

#-ধর্মীয় ক্ষতিঃ

20-ইসলামে নেশা করা হারাম। কেউ যদি একবার নেশা করে তবে চল্লিশ দিন পর্যস্ত তার নামাজ, রোজা, হজ্জ, দান- সাদকাসহ কোন আমল আল্লাহর দরবারে কবুল হয়না।

21-ধুমপায়ীর মসজিদে প্রবেশ নিষেধ।

#-অর্থনৈতিক ক্ষতিঃ

22-ধুমপানে অযথা টাকা নষ্ট হয়।

23- ধুমপায়ীদের উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়।

24-সামাজিক ক্ষতিঃ

25-ধুমপানে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়।

26-ধুমপায়ীরা সেচ্ছাচারী হয়ে থাকে।

27- ধুমপায়ীকে সাধারণ মানুষ পছন্দ করেনা।

28-ধুমপানে পরিবেশের ক্ষতি হয়।

29-ধুমপায়ীর মুখের দুর্গন্ধের কারনে সাধারণ মানুষ তাদের সাথে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে।

30-ধুমপান অন্যের অসুবিধার কারন।

= ধুমপান= বিষপান। ধুমপান ছেড়ে দিন

মন্তব্য করতে লগইন করুন




Upload Image

Upload File