এপ্রিল ফুল মুসলিম উম্মাহর কি কোন শিক্ষা নেই-? এবং স্পেনে মুসলমানদের পতন কেন হলো

লিখেছেন লিখেছেন কুয়েত থেকে ০২ এপ্রিল, ২০১৯, ০১:০০:৩৩ রাত

এপ্রিল ফুল এবং স্পেনে মুসলমানদের পতনের জন্য নিজেদের অবহেলায় কি দায়িনয় এরপরও কি শিক্ষা গ্রহণ করতে হবেনা---?

স্পেনে মুসলমানদের শাসন ছিল প্রায় আটশত বৎসর শুরুতে খেলাফতের কিছু ধাঁচ থাকলেও পরবর্তীতে তাহা রাজতন্ত্রে পরিণত হয়।

স্পেনের সভ্যতা মুসলমানদেরই সভ্যতা।

আল হামরা প্রাসাদ এখনো সে সভ্যতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তবে খ্রিস্টানদের নিয়ন্ত্রণে

সর্বশেষ পতনের পিছনে মূল কারণকি

রাজা ইন্তেকাল করলেন তার নাবালক ছেলেকে রাজার আসনে বসানো হলো আর প্রধান উজির সেই নাবালক ছেলেটিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নিজেই ক্ষমতা দখল করলেন।

সুতরাং, প্রধান উজির সাহেবের (যিনি এখন নতুন রাজা) নৈতিক কমান্ড প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাজ্য গুলোর শাসকদের উপর শূন্য হয়ে গেল। তারা নিজেরাই বিদ্রোহ করল নিজেদেরকে স্বাধীন রাষ্ট্রনায়ক ঘোষণা করল।

শুরু হয়ে গেল কেন্দ্রীয় সরকার এবং আঞ্চলিক সরকার সমূহের মধ্যে যুদ্ধ।

সেই যুদ্ধে মুসলমান মুসলমান কে হত্যা করল (যেমন ধরুন বাংলাদেশ পাকিস্তান কারণ যাই হোক না কেন)

সে যুদ্ধ করতে গিয়ে কোন কোন আঞ্চলিক মুসলিম শাসক প্বার্শবর্তী উত্তরে অবস্থিত স্পেনের আংশিক আঞ্চলিক শাসক ফার্দিনান্দের সাহায্য নিল।

এভাবেই ফার্দিনান্দ তার ক্ষমতাকে বিস্তার করল এবং সর্বশেষে গোটা স্পেনকে দখল করে নিল।

মুসলমানদেরকে মসজিদে আবদ্ধ এবং জাহাজে ভর্তি করে হত্যার ইতিহাস তাহা ঐ সমস্ত মুসলিম শাসকদের পরাজয়ের পর সাধারণ মুসলমানদের উপর ঘটেছে যাদের হাতে কোন রাষ্ট্র ক্ষমতা ছিল না।

তাফসীর:

শক্তিশালী একক কেন্দ্রীয় জামায়াতের অভাব।

খেলাফত ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থার অভাব।

রাজার ছেলে কে সরিয়ে উজিরের ক্ষমতা দখল।

মুসলমান এবং মুসলমানের যুদ্ধ , মাঝখানেক কাফের কে ডেকে আনা যেমন বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান, ইরান এবং ইরাক

বিষয়: বিবিধ

১০৮৮ বার পঠিত, ৩ টি মন্তব্য


 

পাঠকের মন্তব্য:

386591
০৯ এপ্রিল ২০১৯ রাত ১১:৫৩
কুয়েত থেকে লিখেছেন : ফজরের আযান যেন আমাকে স্বরণ করিয়ে দিচ্ছে
যদি দিনের শুরুটা তুমি তোমার রবের জন্য করতে পারো
তোমার রব পুরো দিনটি তোমার জন্য করে দিবেন।
386597
১৪ এপ্রিল ২০১৯ দুপুর ০২:০২
কুয়েত থেকে লিখেছেন : *♦কাফির-মুশরিকদের সাদৃশ্য অবলম্বন করা হারাম।♦*
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ " رَوَاهُ أَحْمَدُ ، وَأَبُو دَاوُدَ
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য গ্রহণ করবে, সে তাদেরই অন্তরভুক্ত (হয়ে যাবে)। (আহমাদ-আবূ দাঊদ)
(মিশকাতঃ- ৪৩৪৭)

*
386606
২৪ এপ্রিল ২০১৯ সন্ধ্যা ০৭:০৩
কুয়েত থেকে লিখেছেন : এক গ্রাম্য লোকের ২৫ টি প্রশ্ন আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর,,,,,,,,।
১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।
২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।
৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।
৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।
৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।
৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।
৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।
৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।
৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।
১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷
১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।
১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।
১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।
১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।
১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।
১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।
১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।
১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।
১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।
২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।
২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।
২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।
২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।
২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।
২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।
আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।
।।আমিন।।

মন্তব্য করতে লগইন করুন




Upload Image

Upload File