গণতন্ত্র মুক্তি পাক - সর্বক্ষেত্রে হুজুর থাক

লিখেছেন লিখেছেন এলিট ০৪ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:৩৯:০৫ সকাল



সাতক্ষীরার পূর্ণিমা নামক মেয়েটি। তাকে গন-ধর্ষণ করার সময়, তার মা ধর্ষকদের বলেছিল - আমার মেয়েটি ছোট, তোমরা একজন একজন করে যাও। পান্না মাস্টারের কথা মনে আছে? কত ছাত্রী ধর্ষণ করেছেন। পরিমলের কথা মনে আছে? ছাত্রী ধর্ষণের মহাগুরু। আরো আগে দেখুন, সেঞ্চুরিয়ান মানিক। একশত ধর্ষণ পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে, তিনি একটি অনুষ্ঠান করে সেই মুহূর্তটি স্মরনীয় করে রেখেছেন।

এমন কোন ক্ষেত্রে আমাদের দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তেমন সচেতন ও সক্রিয় দেখা যায়নি। তাচের তদন্ত এবং আদালতের বিচার, সবই হয়েছে ধীর গতিতে। জনগন সেসব ব্যাপারে একটু কথা বলেছে, তাও আবার চুপিচুপি। ওদিকে, একজন হুজুর হোটেলে কেন মেয়েকে নিয়ে রয়েছে, সেখানে একেবারে পুলিশ গিয়ে হাজির, জনগনও হাজির। কত দ্রুত তাদের কার্যকলাপ !! আর জনগণও খুব অল্প সময়ে এই নিয়ে উচ্চবাচ্য শুরু করেছে। এ নিয়ে হচ্ছে টিভি নিউজ। আর ফেসবুকে চলছে সমালোচনার ঝড়। সব সময় একাধিক গার্লফ্রেন্ড এর সাথে সম্পর্ক রাখে, এমন লোকজন হুজুরকে নৈতিকতা শেখাচ্ছে। অনেকে আবার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি না করার জ্ঞানও দিচ্ছে।

সেই হুজুর একটি মেয়ের সাথে হোটেলে রয়েছে, এটা কি কোন রাজনৈতিক সমস্যা, নাকি এটা তার চারিত্রিক সমস্যা? এই সমস্যার জন্য তার স্ত্রী কথা বলবে, তার পরিবার কথা বলবে, সেই মেয়েটির পরিবার কথা বলবে। এ ব্যাপারে কথা বলার আপনি কে?

তবে, এই ব্যাপারটির মধ্যে আমি অনেক বড় একটি আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন এর সঙ্গে তার সেক্রেটারী মনিকার আবৈধ সম্পর্ক নিয়ে পুরো দেশটি ফুসে উঠেছিল। এই ব্যাপারে ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারীর তেমন কোন আভিযোগ ছিল না। যত আভিযোগ, সব ছিল জনগনের। এই আভিযোগের কারনও আছে। আমেরিকা একটি উন্নত দেশ। সেই দেশের জনগন তাদের নেতাকে কলঙ্কমুক্ত দেখতে চায়। এটাই আসলে সত্যিকার গণতন্ত্র।

আমরা আমেরিকার মতন উন্নত নই। তাই আমরা আমাদের নেতাদের কলঙ্কমুক্ত আশা করি না। নেতাদের ভোট চুরি, দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচার, ইত্যাদি দেখে আমরা কোন কথা বলি না। আমরা মেনেই নিয়েছি, রাজনীতি করা মানুষেরা এমন অপকর্ম করবেই। অথচ, আমরা হুজুরের চরিত্র কলঙ্কমুক্ত দেখতে চাই।

কোন হুজুর যদি মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা তাকে দুর্নীতি করতে দিতাম না। কোন হুজুর যদি এম পি হতেন, তাহলে আমরা তাকে ভোট ডাকাতি করতে দিতাম না। কোন কর্মকর্তা যদি হুজুর হতেন, তাকে বিদেশে অর্থ পাচার করতে দিতাম না। হুজুরদের দল ক্ষমতায় থাকলে, তাদেরকে মেয়াদ শেষ হবার সাথে সাথে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দিতাম।

আমাদের দেশের দ্রুত উন্নতি করার জন্য, এটি খুব সহজ একটি উপায় হতে পারে। সকল ক্ষেত্রে হুজুর রাখতে হবে। বড় কর্মকর্তা হুজুর, এম পি হুজুর, মন্ত্রী হুজুর। এভাবে ধীরে ধীরে একদিন দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী হুজুর হবে। এমন হলে, আমরা পান থেকে চুন খসতে দিব না। জনগনের চাপে পড়ে সবাই ভালো হয়ে যাবে। শুরু হবে সত্যিকার গণতন্ত্র। আমরাও কলঙ্কমুক্ত নেতা পাবো। আর এভাবেই সত্যিকারে সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। সাতক্ষীরার পূর্ণিমা নামক মেয়েটি। তাকে গন-ধর্ষণ করার সময়, তার মা ধর্ষকদের বলেছিল - আমার মেয়েটি ছোট, তোমরা একজন একজন করে যাও। পান্না মাস্টারের কথা মনে আছে? কত ছাত্রী ধর্ষণ করেছেন। পরিমলের কথা মনে আছে? ছাত্রী ধর্ষণের মহাগুরু। আরো আগে দেখুন, সেঞ্চুরিয়ান মানিক। একশত ধর্ষণ পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে, তিনি একটি অনুষ্ঠান করে সেই মুহূর্তটি স্মরনীয় করে রেখেছেন।

এমন কোন ক্ষেত্রে আমাদের দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তেমন সচেতন ও সক্রিয় দেখা যায়নি। তাচের তদন্ত এবং আদালতের বিচার, সবই হয়েছে ধীর গতিতে। জনগন সেসব ব্যাপারে একটু কথা বলেছে, তাও আবার চুপিচুপি। ওদিকে, একজন হুজুর হোটেলে কেন মেয়েকে নিয়ে রয়েছে, সেখানে একেবারে পুলিশ গিয়ে হাজির, জনগনও হাজির। কত দ্রুত তাদের কার্যকলাপ !! আর জনগণও খুব অল্প সময়ে এই নিয়ে উচ্চবাচ্য শুরু করেছে। এ নিয়ে হচ্ছে টিভি নিউজ। আর ফেসবুকে চলছে সমালোচনার ঝড়। সব সময় একাধিক গার্লফ্রেন্ড এর সাথে সম্পর্ক রাখে, এমন লোকজন হুজুরকে নৈতিকতা শেখাচ্ছে। অনেকে আবার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি না করার জ্ঞানও দিচ্ছে।

সেই হুজুর একটি মেয়ের সাথে হোটেলে রয়েছে, এটা কি কোন রাজনৈতিক সমস্যা, নাকি এটা তার চারিত্রিক সমস্যা? এই সমস্যার জন্য তার স্ত্রী কথা বলবে, তার পরিবার কথা বলবে, সেই মেয়েটির পরিবার কথা বলবে। এ ব্যাপারে কথা বলার আপনি কে?

তবে, এই ব্যাপারটির মধ্যে আমি অনেক বড় একটি আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন এর সঙ্গে তার সেক্রেটারী মনিকার আবৈধ সম্পর্ক নিয়ে পুরো দেশটি ফুসে উঠেছিল। এই ব্যাপারে ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারীর তেমন কোন আভিযোগ ছিল না। যত আভিযোগ, সব ছিল জনগনের। এই আভিযোগের কারনও আছে। আমেরিকা একটি উন্নত দেশ। সেই দেশের জনগন তাদের নেতাকে কলঙ্কমুক্ত দেখতে চায়। এটাই আসলে সত্যিকার গণতন্ত্র।

আমরা আমেরিকার মতন উন্নত নই। তাই আমরা আমাদের নেতাদের কলঙ্কমুক্ত আশা করি না। নেতাদের ভোট চুরি, দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচার, ইত্যাদি দেখে আমরা কোন কথা বলি না। আমরা মেনেই নিয়েছি, রাজনীতি করা মানুষেরা এমন অপকর্ম করবেই। অথচ, আমরা হুজুরের চরিত্র কলঙ্কমুক্ত দেখতে চাই।

কোন হুজুর যদি মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা তাকে দুর্নীতি করতে দিতাম না। কোন হুজুর যদি এম পি হতেন, তাহলে আমরা তাকে ভোট ডাকাতি করতে দিতাম না। কোন কর্মকর্তা যদি হুজুর হতেন, তাকে বিদেশে অর্থ পাচার করতে দিতাম না। হুজুরদের দল ক্ষমতায় থাকলে, তাদেরকে মেয়াদ শেষ হবার সাথে সাথে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দিতাম।

আমাদের দেশের দ্রুত উন্নতি করার জন্য, এটি খুব সহজ একটি উপায় হতে পারে। সকল ক্ষেত্রে হুজুর রাখতে হবে। বড় কর্মকর্তা হুজুর, এম পি হুজুর, মন্ত্রী হুজুর। এভাবে ধীরে ধীরে একদিন দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী হুজুর হবে। এমন হলে, আমরা পান থেকে চুন খসতে দিব না। জনগনের চাপে পড়ে সবাই ভালো হয়ে যাবে। শুরু হবে সত্যিকার গণতন্ত্র। আমরাও কলঙ্কমুক্ত নেতা পাবো। আর এভাবেই সত্যিকারে সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।


বিষয়: বিবিধ

২৫২ বার পঠিত, ০ টি মন্তব্য


 

পাঠকের মন্তব্য:

মন্তব্য করতে লগইন করুন




Upload Image

Upload File