“ইসলামী সমাজ ও আমাদের যাপিত জীবন”

লিখেছেন লিখেছেন ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন ০৪ জানুয়ারি, ২০১৪, ১২:৪১:৩৯ রাত



বিশিষ্ট লেখক, ব্লগার ও নেটওয়ার্ক অ্যাক্টিভিস্ট খন্দকার মাওলানা হাবিবুল্লাহ কর্তৃক লিখিত ইসলামী সমাজ ও আমাদের যাপিত জীবন শীর্ষক গ্রন্থটি আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। বিজ্ঞ লেখক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করে গ্রন্থটি দাঁড় করিয়েছেন। ফলে এটি হয়েছে ‘জ্ঞানের আধার। গ্রন্থটিতে সন্নিবেশিত বিভিন্ন নিবন্ধ ইতোমধ্যে মাসিক আত-তাওহীদসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও ব্লগে ছাপা হয়ে পাঠকদের সপ্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়। কাতারে প্রবাস জীবন কাটালেও দেশের রাজনীতি, শিক্ষা, সমাজ ও সংস্কৃতির প্রতি লেখকের প্রাণের যে টান রয়েছে গ্রন্থটি পড়লে তা সহজে অনুধাবন করা যায়।

তাঁর লেখায় ইসলামী আদর্শের আলোকে সমাজ বিনির্মাণের একটি মহৎ প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। তিনি অতীত ঐতিহ্যের আলোকে বর্তমানকে সাজাতে চেয়েছেন। আকাশ সম্পর্কিত ড. মরিস বুকাইয়ের বক্তব্য ও ডারউইনের বিবর্তনবাদের রহস্যের নির্মোহ পর্যালোচনা করেন। একজন মাদরাসা শিক্ষিত হয়েও তিনি নভোমন্ডল নিয়ে শিশু-কিশোরদের উপযোগী ‘ছোটদের বিজ্ঞান মহাকাশ পর্ব’ নামে আরো একটি গ্রন্থ রচনা প্রায় শেষ করেছেন, যা মাসিক আত-তাওহীদ-এ প্রকাশিত হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে ।

বিজ্ঞ লেখক তাঁর চিন্তা-চেতনায় ও মননে একটি ইলমী উত্তরাধিকার বহন করে চলেছেন, যা তাঁর লেখায় স্পষ্টত বিধৃত। তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া আল জামিয়াতুল ইসলামিয়ার প্রাক্তন শায়খুল হাদীস ও বরেণ্য আলিমে দীন আল্লামা মুহাম্মদ ইসহাক কানাইমাদারী (রহ.)-এর যোগ্য সন্তান। মাওলানা হাবিবুল্লাহ ভাইয়ের বাবা আমার স্নেহভাজন উস্তাদ ছিলেন। আমি তাঁর কাছে পাঁচ বছর হাদীস, ফিক্হ ও আরবী সাহিত্য অধ্যয়ন করেছি। তাঁর দু’ভাই মরহুম হাফেয মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ ও খন্দকার মুহাম্মাদ হামিদুল্লাহ যথাক্রমে আমার সতীর্থ ও ঘনিষ্টজন। তাঁরা প্রত্যেকেই মেধাবী ও সৃজনশীল কর্মে উৎসাহী।

বিজ্ঞ লেখক বিভিন্ন শিরোনামে গ্রন্থটিকে বিন্যস্ত করেছেন। নিবন্ধগুলো বেশ সময়োপযোগী ও পাঠকদের চাহিদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। স্বচ্ছন্দ বাক্য নির্মাণ, সরল ভাষা, ঝরঝরে বর্ণনাভঙ্গি ও উপাত্তনির্ভরতার কারণে ‘ইসলামী সমাজ ও আমাদের যাপিত জীবন’ গ্রন্থটি হয়েছে বেশ আকর্ষণীয় ও সুখপাঠ্য। তথ্য উপাত্তের উদ্ধৃতি প্রদানে আধুনিক নিয়ম (Research Methodology) অনুসরণ করা গেলে এবং গ্রন্থের শেষে একটি ‘গ্রন্থপঞ্জি’ সংযুক্ত করা গেলে এটি আরো বেশী গ্রহণযোগ্যতা পেত। পরবর্তী সংস্করণে আশা করি এটি করা যাবে।

আমাদের প্রত্যাশা বিজ্ঞ গ্রন্থকার আগামী দিনগুলোতে আরো অধিকতর সাহিত্য চর্চা অব্যাহত রাখবেন এবং নতুন নতুন গ্রন্থ পাঠকদের উপহার দেবেন। আমি ‘ইসলামী সমাজ ও আমাদের যাপিত জীবন’ গ্রন্থটির ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা কামনা করি এবং দু‘আ করি যেন আল্লাহ তায়ালা খন্দকার মাওলানা হাবিবুল্লাহ ভাইকে আরো কলমি খিদমতের তাওফিক দান করেন এবং উক্ত গ্রন্থ তাঁর জন্য আখিরাতের নাজাতের যেন পাথেয় বনে, আমিন।

গ্রন্থের নাম: ইসলামী সমাজ ও আমাদের যাপিত জীবন

লেখক : খন্দকার মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ

প্রকাশক : ইবনে ইসহাক প্রকাশনী

প্রচ্ছদ : সৈয়দ মুহাম্মদ দেলোয়ার হোছাইন

প্রকাশকাল: ২০১৩

মূল্য : ১৪০/=

বিষয়: বিবিধ

১৩৫৮ বার পঠিত, ১৭ টি মন্তব্য


 

পাঠকের মন্তব্য:

158783
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ১২:৪৬
আলোর কাছে বাঁধা আমি লিখেছেন : মাশাআল্লাহ, সুন্দর বলেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, যাযাকাল্লহু খাইরান, ধন্যবাদ।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০১:২৩
113564
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
158785
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ১২:৪৮
হাবিবুল্লাহ লিখেছেন : আল্লাহ্‌ তালার কাছে দোয়া তিনি যেন এই বইটিকে লেখক পাঠক আর সহযোগী সবার জন্য জানাতের উছিলা করেন।
জাযাকাল্লাহু খায়ারন ফিদ্দারাইন।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০১:২৪
113565
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন, আমিন।
158787
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০১:০৯
গেরিলা লিখেছেন : ভালো লাগলো ধন্যবাদ । অনেক দিন পর স্যার
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০১:২৫
113566
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : আন্তরিক মুবারকবাদ জানাই। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
158792
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০১:৫৪
বেদনা মধুর লিখেছেন : ভাল লেগেছে। বইটির বহুল প্রচার আশা করি। যাজাকাল্লাহু খাইরান।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ সকাল ০৬:৪৬
113581

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined offset: 7218

Filename: views/blogdetailpage.php

Line Number: 917

"> যমুনার চরে লিখেছেন : তাহলে বুঝাগেল- আপনাদের আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্র মানে আফগানিস্তানের তালেবান এবং ইরাকের সাদ্দাম। sorry!! এসব ইসলামি রাষ্ট্র আল্লার কাছে জরুরী হলেও সাধারন মানুষের কাছে এক্কেবারেই মুল্যহীন। আর হাঁ, মানুষ নিজেরাই নিজেদের চাহিদার যোগানদার। সুতরাং ইসলাম নিয়ে আল্লা কি ভাবছেন তাতে মানুষের কিছু যায় আসে না।
০৫ জানুয়ারি ২০১৪ বিকাল ০৫:১৪
114007
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : ধন্যবাদ। সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
০৫ জানুয়ারি ২০১৪ বিকাল ০৫:১৫
114010
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : ধন্যবাদ। সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
০৫ জানুয়ারি ২০১৪ বিকাল ০৫:২০
114011
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : যমুনার চরে’র প্রতি> ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি আপনার এত উষ্মা কেন বুঝা গেল না। মানসুষের স্বাধীনতা আছে সে যে কোন আদর্শকে ধারণ করতে পারে। ‘সুতরাং ইসলাম নিয়ে আল্লা কি ভাবছেন তাতে মানুষের কিছু যায় আসে না।’ আপনার উপরিউক্ত মন্তব্য চরম আপত্তিকর।
158797
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০২:৪৫

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined offset: 7218

Filename: views/blogdetailpage.php

Line Number: 764

"> যমুনার চরে লিখেছেন : "তাঁর লেখায় ইসলামী আদর্শের আলোকে সমাজ বিনির্মাণের একটি মহৎ প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়"

আমার জানতে ইছ্ছে করে- এত উপাদান(!) থাকা সত্বেও ইসলাম পৃথিবীর কোথাও একটি আদর্শ রাষ্ট্র কায়েম করে দেখাতে পারেনি। নিজেদের আত্মকলহে ইসলামের খোলাফায়ে রাশেদীন মাত্র ৩০ বছরেই বিলিন হয়ে যায়।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ রাত ০৪:৩৯
113578
বেদনা মধুর লিখেছেন : যমুনার চর@ ইসলামী রাষ্ট্র কোথাও গড়ে উঠলেই আপনারা সেটাকে বোমা মেরে শেষ করে দিচ্ছেন, আর প্রশ্ন করছেন কেন ইসলামী রাষ্ট্র কেন গড়ে উঠছে না? আপনারা বিমান দিয়ে বোমা মারলে সেটা সন্ত্রাসী হয় না, কিন্তু হাতে নিয়ে বোমা মারলে সন্ত্রাসী বলেন কেন?
ইসলামী রাষ্ট্র বর্তমানে নাই কেন সেটা তো আপনারাই ভাল জানার কথা। যখন থেকে ইসলামী রাষ্ট্রের উপর আঘাত এসেছে সেটাতো আপনারাই করেছেন।
ইসলাম মেনে চললে শান্তি। কেও না মানলে আল্লাহ্‌ নিজে এসে জোর করে মানাবেন না। এই দুনিয়া পরিক্ষার স্থান। এখানে কে ইসলাম মেনে চলছে আর কে চলছে না সেটার উপর ভিত্তি করে আখেরাতে ফলাফল দেয়া হবে।
ইসলামী রাষ্ট্র যখন ছিল যেভাবে ছিল সেভাবে এখনো এবং সবসময় ইসলামী রাষ্ট্র হতে পারে। আপনি আর আমি যদি ইসলাম না মানি আল্লাহর কিছুই আসে যায় না। যে মানবে সে নিজের ভালর জন্যই মানবে। আর যে মানবে না সে নিজেরই ক্ষতি করবে।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ সকাল ০৬:৪২
113580

A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Undefined offset: 7218

Filename: views/blogdetailpage.php

Line Number: 917

"> যমুনার চরে লিখেছেন : তাহলে বুঝাগেল- আপনাদের আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্র মানে আফগানিস্তানের তালেবান এবং ইরাকের সাদ্দাম। sorry!! এসব ইসলামি রাষ্ট্র আল্লার কাছে জরুরী হলেও সাধারন মানুষের কাছে এক্কেবারেই মুল্যহীন। আর হাঁ, মানুষ নিজেরাই নিজেদের চাহিদার যোগানদার। সুতরাং ইসলাম নিয়ে আল্লা কি ভাবছেন তাতে মানুষের কিছু যায় আসে না।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ সকাল ০৮:১৬
113596
বেদনা মধুর লিখেছেন : ইসলামী রাষ্ট্র ইরাক হোক বা আফগানিস্তান হোক যেখানেই ইসলামী রাষ্ট্র গড়ে উঠে সেখানেই আপনারা বোমা মারেন। আর ইসলামী রাষ্ট্র বলতেই সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী বলে মিডিয়াতে যে চিল্লাচিল্লি হয় সেটাকেই আপনারা বিশ্বাস করেন বোকার মত। পরে যখন বলা হয় সেখানে রাসায়নিক অস্ত্র ছিল না বা ওখানে আসলে তারা ভাল মানুষই ছিল সন্ত্রাসী ছিল না তখন সেটাকে আর প্রচার করা হয় না। গত তিন দিন আগে যখন খবর এসেছে যে আসলে বুশ আর মোসাদ দায়ী তখনও আপনাদের মত মানুষ নামের কলংকগুলো আগের মত চিল্লাতেই আছেন। সত্য মেনে নিতে যাদের এত দ্বিধা সেই তারাই পশু। আরো খারাপ।
০৪ জানুয়ারি ২০১৪ সকাল ০৯:১৯
113598
বেদনা মধুর লিখেছেন : যমুনার চর@ মিডিয়া আপনাদেরকে কিভাবে বোকা বানায় দেখুন।
একবার ইসরাইল আর ফিলিস্তিনের
মধ্যকার সংঘর্ষে হতাহতের
ব্যাপারে একটা তাগুত মিডিয়ার
রিপোর্টের কথা মনে পড়ল!
তারা ইসরায়েলি হামলায় নিহত
ফিলিস্তিনিদের বেলায়
লিখেছিল 'died', আর
ফিলিস্তিনি হামলায় নিহত
ইসরায়েলিদের বেলায় লিখেছিল
'killed'! অর্থাৎ
ফিলিস্তিনিরা 'মারা গেছে' আর
ইসরায়েলিদের 'হত্যা করা হয়েছে'!
বেশ কিছুদিন আগে টিভিতে খবর
দেখছিলাম। সামপ্রতীককালে স্কুল
কলেজের শিক্ষকদের
দ্বারা ছাত্রীদের ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল
করা এই ইশ্যু নিয়ে প্রতিবেদন
দেখানো হচ্ছিল। পরিমল,
পান্না মাষ্টারসহ কয়েকজন
শিক্ষকের
নাম, ঠিকানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবং তাদের অপরাধের
কথা বলা হচ্ছিল। সবার অপরাধের
বেলায় 'শ্লীলতাহানি' 'যৌন
নিপীড়ন' এই ধরনের
পুস্তকি শব্দগুলো ব্যবহার করা হলেও
শব্দ
পাল্টে আমজনতার কাছে স্পর্শকাতর
শব্দ 'ধর্ষণ' ব্যবহার করা হল যখন এক
মাদ্রাসা শিক্ষকের কথা আসল! শুধু
তাই নয় অন্যদের বেলায় ভিকটিম এর
সাক্ষাৎকার না নেওয়া হলেও
মাদ্রাসা শিক্ষকের বেলায়
ভিকটিম
এর বেশ আবেগঘন এক সাক্ষাৎকার
নেওয়া হল বেশ সময় নিয়ে!
মুরব্বিদের কাছে রুপকথার
কল্পকাহিনী শোনার মত
করে আমরা আজ ইসলামের ইতিহাস
শুনি! মুসলিমদের ভয়ে হাটু
কাঁপা কাফেরদের কাছে আজ
সবচেয়ে সস্তা মুসলিমদের রক্ত। আর এই
অবস্থা হঠাৎ একদিনে সৃষ্টি হয়নি।
সূক্ষভাবে, ধাপে ধাপে এই পরিবর্তন
সংঘটিত হয়েছে। সম্মুখ
সমরে পরাজিত
ইহুদী খ্রিষ্টানরা ভূমি দখলের
আগে বেছে নিল
সুপরিকল্পিতভাবে মস্তিষ্ক দখলের
প্রক্রিয়া।
অতি সস্তা ধরে কাফেরদের
কাছে মগজ বিক্রি করল মুসলিমরা।
সেই থেকে শুরু আর তা এখনো চলছে!
আর অতি সস্তা দরে মুসলিমদের মগজ
কিনে সেখানে কুফরির চাষ করার
জন্য
কাফেররা যে হাতিয়ারটা সর্বব্যাপ
করছে তার নাম মিডিয়া। মুসলিম আর
ইসলামকে যত
খারাপভাবে উপস্থাপন
করা যায়, যত ছোট করা যায় সেটাই
থাকে বর্তমান তাগুত মিডিয়ার
লক্ষ্য।
আর অতি সস্তা কিছু বিনোদন,
দুনিয়াবি ধ্বজভঙ্গ কিছু আদর্শের
কাছে (সেকুলারিজম, নাস্তিকতা,
জাতীয়তাবাদ, মানবতাবাদ)
মহামূল্যবান দ্বীন বিকিয়ে শান্তি,
সুখ আরামময় জীবনের স্বপ্ন
দেখা নিকৃষ্ট মুসলিম নামধারীদের
কাছে এভাবেই
মুসলিমরা হয়ে উঠে সন্ত্রাসী,
উগ্রপন্থী, ব্যাকডেটেড, ধর্মান্ধ
ব্লা ব্লা ব্লা...
---
একবার এক মহিলা চুরি করলে রাসুল
(সঃ) তার হাত কাটার নির্দেশ দেন।
ঐ মহিলা কুরাইশ বংশের হওয়ায়
অনেকেই তার শাস্তি লঘু করার
পরামর্শ দেয়। তখন রাসূল (সঃ) বলেন,
'আমার কন্যা ফাতেমাও
যদি চুরি করত
তাহলে তারও হাত কাটার নির্দেশ
দিতাম।' ইসলাম হল সেই জীবন
ব্যবস্থা যা সমাজের
প্রতিটি মানুষের জন্য ন্যায়বিচার
আর
নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়।
পান্না মাষ্টারের শতাধিক ধর্ষনের
যে শাস্তি, দাড়ি টুপির হুজুর
একজনকে ধর্ষণ করলেও সেই একই
শাস্তি ,মৃত্যুদন্ড। শ্লীলতাহানি,
সম্ভ্রমহানি, ধর্ষণ, died, killed
নানা এঙ্গেলের শব্দের খেলায় গুরু
লঘুল দাবার চাল
এটা ইহুদি খ্রিষ্টানদের কপটতার
পরিচায়ক। ইসলামে কোন
লুকোচুরি নেয়। এটা স্বচ্ছ পানির
গ্লাসে রাখা স্বচ্ছ পানির চেয়েও
স্বচ্ছ এবং স্পষ্ট।
০৫ জানুয়ারি ২০১৪ বিকাল ০৫:২৬
114014
ডক্টর আ ফ ম খালিদ হোসেন লিখেছেন : খোলাফায়ে রাশেদিনের পরবর্তী সময়ে উমাইয়া, আবাবাসীয়, সেলজুক, ফাতেমী,আইউবী, উসমানীয় যুগে ১০০ভাগ না হলেও বহুলাংশে ইসলামী আদর্শে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়ে এসেছে।বর্তমানেও ইসলামী আদর্শে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। আলজিরিয়া, তুরস্ক, আফগানিস্তান ও মিশর তার প্রমাণ। তবে ঈঙ্গ-মার্কিন-ইহুদী চক্র ও তাদের দোসরদের চক্রান্তের কারণে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়াস সাময়িক বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

মন্তব্য করতে লগইন করুন




Upload Image

Upload File